অনুসন্ধান    

Logo

 
Logo

ফ্রেন্ডশিপ সম্পর্কে

ফ্রেন্ডশিপের ব্রত দারিদ্র্যরেখার নিচে অবস্থিত কিন্তু নির্দিষ্টভাবে চিহ্নিত হয়নি এমন প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর মধ্যেকার দরিদ্রতম মানুষকে সহায়তা করা। প্রান্তিক এসব মানুষের অনেকেরই বাস নদীর দুর্গম চর আর নদীতীরবর্তী এলাকায়। তাই এই প্রতিষ্ঠান কাজের ক্ষেত্রে এসব জায়গার দরিদ্রতম অধিবাসীদেরকেই অগ্রাধিকার দেয়। আমাদের প্রতিষ্ঠানটি একটি মূল্যবোধভিত্তিক সংগঠন তাই আমাদের কর্মসূচির মূলে আছে মানুষের জন্য সহানুভূতি, গভীর জ্ঞান, মমত্ববোধ এবং তৃণমূল পর্যায়ের অভিজ্ঞতা। আর তার সঙ্গে যুক্ত হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনি পন্থা। ফ্রেন্ডশিপের সঙ্গে এর কাজের সুফলভোগীদের সম্পর্ক ভালবাসা ও পারস্পরিক সম্মানের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠে, যা এই বঞ্চিত মানুষের আত্মবিশ্বাসের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়। এর ফলে ফ্রেন্ডশিপের পক্ষেও একটি কার্যকর ও দক্ষ সেবার ধারাবাহিক ব্যবস্থা তৈরি করা সম্ভব হয়। আমাদের প্রতিষ্ঠানের এই সুনামকে আমরা সাদরে বরণ করে নিয়েছি তবে একে আমরা কোনো রাজনৈতিক, ধর্মীয় অথবা বাণিজ্যিক স্বার্থ চরিতার্থ করার উদ্দেশ্যে কাজে লাগাই না। একইসঙ্গে কোনো এলাকায় কাজ করার সময় আমাদের কাজের ফলে সেখানকার পরিবেশগত ও সামাজিক স্থিতিশীলতা এবং সাংস্কৃতিক ভিত্তি যাতে কোনোভাবেই বিপন্ন না হয় সেদিকে আমরা লক্ষ্য রাখি। যেসব দাতা প্রতিষ্ঠান এবং বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে ফ্রেন্ডশিপের মূল্যবোধ, নীতি, লক্ষ্য ও নৈতিক দৃষ্টিভঙ্গি সঙ্গতিপূর্ণ তাদের সঙ্গে আমরা ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করি। ফ্রেন্ডশিপের রূপকল্প বাংলাদেশের চর ও নদীতীরবর্তী এলাকায় বসবাসকারী প্রান্তিক জনগোষ্ঠীর দরিদ্রতম মানুষের সঙ্গে কাজ করার ক্ষেত্রে দক্ষ প্রতিষ্ঠান হিসাবে গড়ে ওঠা এবং সামাজিক, স্বাস্থ্যগত ও পরিবেশগত দিক থেকে টেকসই বলে প্রমাণিত বিভিন্ন কর্মসূচির ওপর ভিত্তি করে স্থায়িত্বশীল, খ্যাতিমান ও দৃষ্টান্তমূলক সংগঠন হিসাবে জাতীয় ও আন্তর্জাতিক স্বীকৃতি লাভ।

 

আমাদের গল্প

আমাদের গল্পের শুরু ১৯৯৪ সালে যখন ফরাসী নাবিক ইভ্স মার ফ্রান্স থেকে বাংলাদেশের দিকে একটি বার্জ নিয়ে রওনা দেন। তাঁর উদ্দেশ্য ছিল এদেশে যাদের স্বাস্থ্যসেবা পাওয়ার তেমন অথবা কোনো সুযোগই নেই তাদের চিকিৎসাসেবা দেওয়া। কিন্তু একাধিক জাতীয় ও আন্তর্জাতিক বেসরকারি সংস্থার সঙ্গে বহুবার কথা বলেও বার্জটিকে একটি স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের একটি টেকসই মডেল হিসাবে যে গড়ে তোলা সম্ভব সেটি বোঝাতে তিনি ব্যর্থ হলেন। তারপর থেকে ইভ্স ও রুনা নিজেদের স্বপ্ন নিজেরাই বাস্তব করে তুলবেন বলে প্রতিজ্ঞা করলেন। আর তারই ফলে জন্ম নিল আমাদের প্রিয় প্রতিষ্ঠান ফ্রেন্ডশিপ।
 
ফ্রেন্ডশিপের যাত্রা শুরু হয় ইউনিলিভারের সহায়তায়। আমাদের স্বপ্নের ওপর আস্থা রেখেছিল এই বহুজাতিক প্রতিষ্ঠানটি যার ফলে ফ্রেন্ডশিপ তার চিকিৎসাসেবা নিয়ে পৌঁছাতে পেরেছিল উত্তরবঙ্গের দুর্গম চর এলাকার মানুষের কাছে। আজকে আমরা কাজ করছি বাংলাদেশের প্রত্যন্ততম ও সুবিধাবঞ্চিত এলাকাগুলোতে যার মধ্যে রয়েছে দক্ষিণাঞ্চলের ঘূর্ণিদুর্গত অঞ্চলও।
ফ্রেন্ডশিপের রূপকল্প দেশের দরিদ্র জনগোষ্ঠীর মধ্যে দরিদ্রতমদের জন্য সামাজিক, স্বাস্থ্যগত ও পরিবেশগত দিক থেকে টেকসই বিভিন্ন উদ্যোগ গ্রহণ। প্রতিষ্ঠানটির গৃহীত সব উন্নয়ন পদক্ষেপের ভিত্তি সহানুভূতি, মমত্ববোধ, সুগভীর জ্ঞান ও তৃণমূল অভিজ্ঞতা যার সঙ্গে আবার যুক্ত হয়েছে আধুনিক প্রযুক্তির সুসমন্বিত প্রয়োগ।    
প্রতিষ্ঠানটির বর্তমান নির্বাহী পরিচালক রুনা খান এবং ইভস মার অন্যতম উপদেষ্টা। ফ্রেন্ডশিপ প্রতিষ্ঠা করার আগে রুনা ও ইভ্স ‘কন্টিক রিভার ক্রুজ’ নামে বাংলাদেশের ঐতিহ্যবাহী নৌকায় বিলাসভ্রমণের জন্য একটি প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।
 আর ও জানতে দেখুনঃ www.friendship-bd.org


 

প্রধান পৃষ্ঠপোষক :
এ বি এম আজাদ
জেলা প্রশাসক, কুড়িগ্রাম ।

পৃষ্ঠপোষক:
মোঃ ইমতিয়াজ হোসেন
অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( সাবিক ), কুড়িগ্রাম ।

ডোমেইন পরিকল্পনা ও সমন্বয়কারী :
মোঃ আব্দুল ওয়ারেছ আনসারী
সহকারী কমিশনার ( গোপনীয় ), কুড়িগ্রাম

NGO সমূহ